বাংলাদেশ ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হয়।এতে বলা হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য গঠনতন্ত্রের বিধান মোতাবেক উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জমায়েত হওয়া কিছু মানুষের সামনে বক্তব্য রাখছেন উদয় কুসুম বড়য়া। এসময় তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের ভিসি সাহেব এসে দেখে গেছেন, তদন্ত করে গেছেন। আমরা বলতে চাই, এ ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা সামনে যাতে না হয়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুই নম্বর সড়ক অবরোধ থাকবে। কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয় না। আমরা ভিসির সঙ্গে আলোচনা করলে, ভিসির বাপেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। এ উচ্ছৃঙ্খল, কুলাঙ্গার ছেলেগুলো ভিসিকেও মানে না। আমরা বলতে চাই গতকাল সারারাত ধরে এই কুলাঙ্গার ছেলেরা আমাদের গ্রামের মা-ভাইবোনের ওপর নিরস্ত্র হামলা করেছে, এদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন আমাদের মধ্যে ষড়যন্ত্র হতে পারে। কেউ কেউ দলের প্রশ্ন আনতে পারে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা জোবরার সন্তান, এখানে কোনো দল নেই। আমরা সবাই এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সবাই এক ও অভিন্ন। আমরা কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো ধরনের ফ্যাসিস্ট শক্তির কাছে মাথা নত করব না।অনতিবিলম্বে চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে না পারলে, আমরা জোবরার সমস্ত জনগণ বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব। এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মা-বোনের ইজ্জতের চেয়ে জীবন বড় নয়, আমার এলাকার সন্তানের চেয়ে আমার জীবন বড় নয়, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়ার জন্য আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। এখন আমি ভিসির সঙ্গে কথা বলব। সমস্যা সমাধানে ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব এবং রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করব। সোজা আঙুলে ঘি উঠে না। কোনো আন্দোলন বা অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, কোনো আলোচনা-আপোষের মাধ্যমে সমাধান পাবেন না। সুতরাং সফলতার জন্য আন্দোলন করতে হবে। এ আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত থাকার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া

  1. That’s fascinating! It’s cool how data analysis is changing online gaming – things like RTP & volatility really matter. Thinking of trying a platform with those stats – maybe a spinph8 login to check it out! Sounds like a smarter way to play.

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া

আপডেট সময় : ০৪:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হয়।এতে বলা হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য গঠনতন্ত্রের বিধান মোতাবেক উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জমায়েত হওয়া কিছু মানুষের সামনে বক্তব্য রাখছেন উদয় কুসুম বড়য়া। এসময় তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের ভিসি সাহেব এসে দেখে গেছেন, তদন্ত করে গেছেন। আমরা বলতে চাই, এ ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা সামনে যাতে না হয়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুই নম্বর সড়ক অবরোধ থাকবে। কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয় না। আমরা ভিসির সঙ্গে আলোচনা করলে, ভিসির বাপেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। এ উচ্ছৃঙ্খল, কুলাঙ্গার ছেলেগুলো ভিসিকেও মানে না। আমরা বলতে চাই গতকাল সারারাত ধরে এই কুলাঙ্গার ছেলেরা আমাদের গ্রামের মা-ভাইবোনের ওপর নিরস্ত্র হামলা করেছে, এদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন আমাদের মধ্যে ষড়যন্ত্র হতে পারে। কেউ কেউ দলের প্রশ্ন আনতে পারে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা জোবরার সন্তান, এখানে কোনো দল নেই। আমরা সবাই এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সবাই এক ও অভিন্ন। আমরা কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো ধরনের ফ্যাসিস্ট শক্তির কাছে মাথা নত করব না।অনতিবিলম্বে চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে না পারলে, আমরা জোবরার সমস্ত জনগণ বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব। এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মা-বোনের ইজ্জতের চেয়ে জীবন বড় নয়, আমার এলাকার সন্তানের চেয়ে আমার জীবন বড় নয়, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়ার জন্য আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। এখন আমি ভিসির সঙ্গে কথা বলব। সমস্যা সমাধানে ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব এবং রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করব। সোজা আঙুলে ঘি উঠে না। কোনো আন্দোলন বা অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, কোনো আলোচনা-আপোষের মাধ্যমে সমাধান পাবেন না। সুতরাং সফলতার জন্য আন্দোলন করতে হবে। এ আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত থাকার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’