বাংলাদেশ ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন ভূজপুর যুবদল নেতা একরামুল হক একরাম অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন জিয়া সাইবার ফোর্স চট্টগ্রাম উত্তর জেলা প্রচার সম্পাদক রিয়াদ আলম পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মীর মাহমুদুল হাসান আকাশ ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন বরিশাল, মুলাদী উপজেলা কমিটির এর পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন চবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কে ইসলাম ফাহিমের উদ্যোগে এতিমখানায় ইফতার আয়োজন জিয়া সাইবার ফোর্সের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ১৪টি দেশ ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বয়স্ক শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও দোয়া মাহফিল নারীর অধিকার নিয়ে সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশা, তন্বী মল্লিককে সমর্থন রিয়াদ আলমের MediaCast24 পক্ষ থেকে মহান ২১ ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি

আর কত প্রাণ গেলে সড়কে আমরা সচেতন হবো এস এম কামরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

সড়ক দুর্ঘটনা এখন একটি মহামারী আকার ধারণ করেছে, আমার মনে হয় আইন নয়, আমাদের সচেতনতা এবং দক্ষতাই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে। বিআরটিএ এবং বাংলাদেশ পুলিশ সহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে, কিন্তু চালকরা যত বেশি সচেতন হবেন আমার মনে হয় সড়ক দুর্ঘটনা ততো বেশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একটা কথা আছে-যত গতি তত ক্ষতি। চালকের চোখে ঘুম নিয়ে কিংবা শরীরের ক্লান্তি নিয়ে গাড়ি চালাবেন না, একটানা সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টার বেশি গাড়ি চালাতে গেলেই সমস্যা হতেই পারে, মানুষ তো আমরা। আমাদের শরীরের একটু বিশ্রাম লাগে। যাদের জন্য এতো পরিশ্রম করছেন, আপনি না থাকলে তাদের কী হবে?ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন অটোরিকশা উল্টা যাচ্ছে, সিএনজি চলছে, আর বেপরোয়া গতির মোটর সাইকেল কী করে সড়কে তা যারা হাইওয়েতে গাড়ি চালান তারা ভালো বলতে পারবেন, পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গেলেই তখন বলে পুলিশ খুব অমানবিক হয়ে গেছে, আসলে মানবতা আর আইন দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। পুলিশ একা কিছুই করতে পারবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি আপনি আমরা সবাই একসাথে আওয়াজ না তুলবো।সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় কোন দোকানপাট বসতে দিব না, অটোরিকশা, সিএনজি কিংবা যেসব গাড়িগুলো ফিটনেস বিহীন সেইসব গাড়িগুলো বন্ধ করার জন্য সকলে মিলে পুলিশের সাথে কাজ করলে আমার মনে হয় সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে। অনেক কথাই বলা যাবে, হয়তো একটা উপন্যাস লেখা যাবে, হয়তো কয়েক হাজার পাতা হবে সেই উপন্যাসের, তবুও বলবো জনসচেতনতা চালকদের দক্ষতা এবং সরকারি সকল সংস্থা একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নিলে, আমার মনে হয় সড়কের আইন প্রয়োগ করা খুব সহজ হবে। আইন মানতে বাধ্য করা নয়, আইনকে মেনে চলাই একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আপনার আমার সকলের কর্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “আর কত প্রাণ গেলে সড়কে আমরা সচেতন হবো এস এম কামরুল

  1. That’s a fascinating point about variance! Seeing data like SpinPH8’s volatility distribution (35/45/20) really changes how you approach slots. Thinking about RTP & hit frequency-check out spinph8 login for insights! It’s all about informed plays, right?

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আর কত প্রাণ গেলে সড়কে আমরা সচেতন হবো এস এম কামরুল

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সড়ক দুর্ঘটনা এখন একটি মহামারী আকার ধারণ করেছে, আমার মনে হয় আইন নয়, আমাদের সচেতনতা এবং দক্ষতাই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে। বিআরটিএ এবং বাংলাদেশ পুলিশ সহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে, কিন্তু চালকরা যত বেশি সচেতন হবেন আমার মনে হয় সড়ক দুর্ঘটনা ততো বেশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একটা কথা আছে-যত গতি তত ক্ষতি। চালকের চোখে ঘুম নিয়ে কিংবা শরীরের ক্লান্তি নিয়ে গাড়ি চালাবেন না, একটানা সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টার বেশি গাড়ি চালাতে গেলেই সমস্যা হতেই পারে, মানুষ তো আমরা। আমাদের শরীরের একটু বিশ্রাম লাগে। যাদের জন্য এতো পরিশ্রম করছেন, আপনি না থাকলে তাদের কী হবে?ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন অটোরিকশা উল্টা যাচ্ছে, সিএনজি চলছে, আর বেপরোয়া গতির মোটর সাইকেল কী করে সড়কে তা যারা হাইওয়েতে গাড়ি চালান তারা ভালো বলতে পারবেন, পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গেলেই তখন বলে পুলিশ খুব অমানবিক হয়ে গেছে, আসলে মানবতা আর আইন দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। পুলিশ একা কিছুই করতে পারবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি আপনি আমরা সবাই একসাথে আওয়াজ না তুলবো।সড়কের পাশে সরকারি জায়গায় কোন দোকানপাট বসতে দিব না, অটোরিকশা, সিএনজি কিংবা যেসব গাড়িগুলো ফিটনেস বিহীন সেইসব গাড়িগুলো বন্ধ করার জন্য সকলে মিলে পুলিশের সাথে কাজ করলে আমার মনে হয় সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে। অনেক কথাই বলা যাবে, হয়তো একটা উপন্যাস লেখা যাবে, হয়তো কয়েক হাজার পাতা হবে সেই উপন্যাসের, তবুও বলবো জনসচেতনতা চালকদের দক্ষতা এবং সরকারি সকল সংস্থা একসাথে বসে সিদ্ধান্ত নিলে, আমার মনে হয় সড়কের আইন প্রয়োগ করা খুব সহজ হবে। আইন মানতে বাধ্য করা নয়, আইনকে মেনে চলাই একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আপনার আমার সকলের কর্তব্য।