বাংলাদেশ ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীর নিরাপত্তা ও অধিকারই নওরীনের মূল অঙ্গীকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

নারী সংরক্ষিত আসনে বিজয়ের প্রত্যাশায়—নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে কাজের অঙ্গীকার নওরীনের নারী সংরক্ষিত আসনে বিজয়ী হলে নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ছাত্রদল নেত্রী নওরীন। তিনি বলেন, “নারীরা এখনও নানা বৈষম্য, সহিংসতা ও অবহেলার শিকার হন। এসব সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করতে চাই। নওরীন জানান, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। তার মতে, একটি সমাজ তখনই উন্নত হতে পারে, যখন সেই সমাজে নারীরা সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করে। তিনি আরও বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধ, আইনি সহায়তা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের নারীদের নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার ওপরও জোর দেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারীদের ক্ষমতায়নে তরুণ নেতৃত্বের এমন অঙ্গীকার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনে বিজয়ী হলে নওরীন তার এই প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন করতে পারেন।সবশেষে নওরীন বলেন, “আমি শুধু একজন প্রার্থী নই, আমি নারীদের কণ্ঠস্বর হতে চাই—যেখানে প্রতিটি নারী তার অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নারীর নিরাপত্তা ও অধিকারই নওরীনের মূল অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নারী সংরক্ষিত আসনে বিজয়ের প্রত্যাশায়—নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে কাজের অঙ্গীকার নওরীনের নারী সংরক্ষিত আসনে বিজয়ী হলে নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ছাত্রদল নেত্রী নওরীন। তিনি বলেন, “নারীরা এখনও নানা বৈষম্য, সহিংসতা ও অবহেলার শিকার হন। এসব সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করতে চাই। নওরীন জানান, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। তার মতে, একটি সমাজ তখনই উন্নত হতে পারে, যখন সেই সমাজে নারীরা সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করে। তিনি আরও বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধ, আইনি সহায়তা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের নারীদের নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার ওপরও জোর দেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারীদের ক্ষমতায়নে তরুণ নেতৃত্বের এমন অঙ্গীকার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনে বিজয়ী হলে নওরীন তার এই প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন করতে পারেন।সবশেষে নওরীন বলেন, “আমি শুধু একজন প্রার্থী নই, আমি নারীদের কণ্ঠস্বর হতে চাই—যেখানে প্রতিটি নারী তার অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।