পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এই পবিত্র ঈদ আমাদের জীবনে বয়ে আনে অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও আত্মশুদ্ধির বার্তা। ঈদ কেবল আনন্দের দিন নয়, এটি আমাদের জন্য ত্যাগ, সংযম, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক মহৎ শিক্ষা।এই পবিত্র দিনে আমি আহ্বান জানাই—আমরা যেন সকল হিংসা-বিদ্বেষ, বিভাজন ও সংকীর্ণতা ভুলে গিয়ে একটি মানবিক, সহনশীল ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গড়ে তুলি। ঈদের প্রকৃত শিক্ষা আমাদের অনুপ্রাণিত করুক অসহায়, দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং সমাজে ন্যায় ও সাম্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে।আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, যাঁর আপসহীন নেতৃত্ব, ত্যাগ ও সংগ্রাম বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে যারা নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন—সেই সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতিও আমি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যেতে শক্তি দেয়।ঈদের এই পবিত্র মুহূর্তে আমি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করি—তিনি যেন আমাদের দেশকে সকল সংকট, বিভাজন ও অশান্তি থেকে মুক্ত রাখেন। আমাদের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করুন। বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তৌফিক দান করুন।আসুন, ঈদের আনন্দ আমরা সবাই মিলে ভাগাভাগি করি এবং যারা সমাজে পিছিয়ে আছে, তাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি। তবেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ পূর্ণতা পাবে।সর্বোপরি, দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। সকলের জীবনে নেমে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা।ঈদ মোবারক।