বাংলাদেশ ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংরক্ষিত মহিলা আসনের নবনির্বাচিত এমপি হিসেবে শপথ নিলেন ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা শাকিলা ফারজানা সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন পেলেন সংরক্ষিত নারী আসনে তন্নী মল্লিক: সংসদে নারীর অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ার প্রত্যয় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়া শাখার নতুন কমিটি গঠনমাসুদ মাহাতাব, স্টাফ রিপোর্টার বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি ড. আসিফ মিজানকে বরিশাল বিভাগ সমিতি ঢাকা’র সংবর্ধনানিজস্ব প্রতিবেদক। বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি ড. আসিফ মিজান ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন’ মনোনীত নারীর নিরাপত্তা ও অধিকারই নওরীনের মূল অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ বন্ধ করছেন ট্রাম্প শিরীন শারমিন এতদিন যেখানে লুকিয়ে ছিলেন বিয়ে করেছেন লুবাবা

মার্কিন ভিসার আবেদনেই দিতে হবে ১৮ লাখ টাকা, যেসব দেশের জন্য কার্যকর হলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫ ৫২১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে লুকিয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে অহরহ। অনেকে আবার এ দুই ধরনের ভিসা নিয়ে দীর্ঘদিন দেশটিতে অবস্থান করেন। ভিসার অপব্যবহার কমাতে কঠোর হওয়া শুরু করেছে মার্কিন সরকার।দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে, যার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ১৫,০০০ ডলার (প্রায় ১৮ লাখ টাকা) পর্যন্ত জামানত জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।প্রাথমিক অবস্থায় দুটি দেশের ওপর এটি কার্যকর করা হয়েছে। দেশগুলো হলো জাম্বিয়া ও মালাউই। দুটি দেশই আফ্রিকার এবং তারা একে অপরের প্রতিবেশী।সংবাদমাধ্যম সিএনএন বুধবার (৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাম্বিয়া এবং মালাউই পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র দেশ। তাদের নাগরিকদের ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রেই নূন্যতম ১৮ লাখ টাকা জামানত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা জারি করার অর্থ হলো এ দেশ দুটির ওপর অ ঘোষিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশ দুটির নাম ঘোষণা করেছে। কিন্তু কেন এ দুটি দেশের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলো সেটি নিশ্চিত নয়। এমনকি এ দুটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার অপব্যবহারও পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর তুলনায় কম।তবে জামানত হিসেবে দেশগুলোর নাগরিকরা ১৮ লাখ টাকা দিলেই যে ভিসা দেওয়া হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।যদি ভিসার অপব্যবহার না করা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভিসাধারীরা ফিরে আসেন, অথবা ভিসা পাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে না যান তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জামানতের অর্থ ফেরত চলে আসবে।তবে মানুষ ভিসার আবেদনের জন্যই কোথা থেকে এত অর্থ পাবে সে প্রশ্ন থেকে যাবে।এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই অভিবাসীদের ওপর ধরপাকড় চালাচ্ছেন। এছাড়া ভিসা প্রদানেও ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন ভিসার আবেদনেই দিতে হবে ১৮ লাখ টাকা, যেসব দেশের জন্য কার্যকর হলো

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে লুকিয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে অহরহ। অনেকে আবার এ দুই ধরনের ভিসা নিয়ে দীর্ঘদিন দেশটিতে অবস্থান করেন। ভিসার অপব্যবহার কমাতে কঠোর হওয়া শুরু করেছে মার্কিন সরকার।দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে, যার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ১৫,০০০ ডলার (প্রায় ১৮ লাখ টাকা) পর্যন্ত জামানত জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।প্রাথমিক অবস্থায় দুটি দেশের ওপর এটি কার্যকর করা হয়েছে। দেশগুলো হলো জাম্বিয়া ও মালাউই। দুটি দেশই আফ্রিকার এবং তারা একে অপরের প্রতিবেশী।সংবাদমাধ্যম সিএনএন বুধবার (৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাম্বিয়া এবং মালাউই পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র দেশ। তাদের নাগরিকদের ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রেই নূন্যতম ১৮ লাখ টাকা জামানত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা জারি করার অর্থ হলো এ দেশ দুটির ওপর অ ঘোষিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশ দুটির নাম ঘোষণা করেছে। কিন্তু কেন এ দুটি দেশের বিরুদ্ধে এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলো সেটি নিশ্চিত নয়। এমনকি এ দুটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার অপব্যবহারও পৃথিবীর অন্য দেশগুলোর তুলনায় কম।তবে জামানত হিসেবে দেশগুলোর নাগরিকরা ১৮ লাখ টাকা দিলেই যে ভিসা দেওয়া হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।যদি ভিসার অপব্যবহার না করা হয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভিসাধারীরা ফিরে আসেন, অথবা ভিসা পাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে না যান তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জামানতের অর্থ ফেরত চলে আসবে।তবে মানুষ ভিসার আবেদনের জন্যই কোথা থেকে এত অর্থ পাবে সে প্রশ্ন থেকে যাবে।এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই অভিবাসীদের ওপর ধরপাকড় চালাচ্ছেন। এছাড়া ভিসা প্রদানেও ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছেন তিনি।